মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:২১ অপরাহ্ন
নিউজ ফ্লাশ
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পঞ্চগড়ের নৌকাডুবির খবর পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি ট্রাজেডি: অর্ধশত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন : বেরোবি উপাচার্য স্বজনদের আহাজারিতে ভারি করতোয়ার পাড় পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: দিনাজপুরের পুনর্ভব নদীতে ভেসে এলো ৮ জনের লাশ করতোয়ার পাড়ে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, মৃত্যু বেড়ে ৩৯ পঞ্চগড়ে মন্দিরে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে শিশুসহ ২৪ জনের মৃত্যু হিজাব ইস্যুতে উত্তাল ইরান: নারীসহ ৭০০ বিক্ষোভকারী গ্রেফতার, নিহত ৩৫ শারদীয় দুর্গাপূজা: হিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, বেরোবি শিক্ষার্থী আটক

ঐতিহাসিক ২ মার্চ প্রথম উড়েছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা

এপ্লাস অনলাইন
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
একাত্তরের ২ মার্চ বিক্ষোভে উত্তাল ছিল ঢাকা। শাসকগোষ্ঠীর কারফিউ ভঙ্গ করে দিন-রাত চলেছে আন্দোলন-বিক্ষোভ। বিক্ষোভে নির্বিচারে গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ২৩ জন দেশপ্রেমিক মানুষ। এদিন প্রথম ওড়ানো হয়ে ছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছিল এমন একটি দিন। পরাধীনতা ছিন্ন করে মুক্তির নিশানা এদিনে আত্মপ্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
২ মার্চ সকাল থেকেই দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেয়। জনসমুদ্র হয়ে ওঠে রাজপথগুলো। আর সব মিছিলের একটিই লক্ষ্য- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখানেই বেলা ১১টায় প্রথম উত্তোলিত হয় গাঢ় সবুজ জমিনের মাঝখানে লাল বৃত্তে অঙ্কিত মানচিত্র ‘স্বাধীন বাংলার পতাকা’।
ডাকসুর তৎকালীন সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব সংগ্রামী ছাত্রসমাজের পক্ষে প্রথম বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত এই পতাকা উত্তোলন করেন। বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে এক বিশাল ছাত্র সমাবেশ ছিল সব আয়োজনের কেন্দ্র। সকাল ১০টার মধ্যে এ সমাবেশে উপস্থিত হয় হাজার হাজার মানুষ। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। আর এরই মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় ছুটে আসে একজন- জানায়, ফার্মগেট এলাকায় গোলাগুলির কথা। বিক্ষোভ মিছিল বের হয় ক্যাম্পাস থেকে। বিকালে জনসভা অনুষ্ঠিত হয় বায়তুল মোকাররম ও পল্টন ময়দানে।
সন্ধ্যার পর হঠাৎ করেই পুরো শহরে কারফিউ জারির ঘোষণা দেওয়া হয়। রাত ৯টা থেকে পরদিন ৩ মার্চ সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে সামরিক কর্তৃপক্ষ এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে বলে জানানো হয়।
বেতারে কারফিউ জারির ঘোষণা হওয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে লোকজন নেমে আসে রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি করে কারফিউ ভেঙে গভীর রাত পর্যন্ত মিছিল বের করে। হাজার মানুষের স্লোগান চূর্ণ করে দেয় রাতের নিস্তব্ধতাকে। বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় পাকিস্তানি সেনারা এবং সে রাতেই হত্যা করা হয় ২৩ জনকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি সেনাদের এমন বর্বর আচরণকে গণহত্যার সঙ্গে তুলনা করেন এবং ৩ মার্চ ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালনের আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!