সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
নিউজ ফ্লাশ
মেহেদি ম্যাজিকে বাংলাদেশের রুদ্ধশ্বাস জয় ”আর্জেন্টিনার সমর্থকরা পতাকার চুরির মিথ্যা অভিযোগে আমাকে পিটিয়েছে” নকল ধরা পড়ায় তৃতীয় তলা থেকে লাফিয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা ভোট চুরি করে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেছিলেন: চট্টগ্রামের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে ঢাকায় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’, বেগম জিয়ার বাসার প্রবেশ রাস্তায় চেকপোস্ট মেসি নৈপুণ্য ও মার্টিনেজের গোল রক্ষার কৌশলে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা সুন্দরগঞ্জে সড় দূর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যু খেলা হবে এই ডিসেম্বরে বিজয়ের মাসে: ওবায়দুল কাদের জাঁকিয়ে বসবে শীত, আসছে শৈত্যপ্রবাহ; ৮ ডিগ্রিতে নামতে পারে তাপমাত্রা শেষ মুহুর্তের গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে চমকে দিলো ক্যামেরুন

পায়েল হত্যা মামলা : তিন আসামিকেই মৃত্যুদন্ড

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০

বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েল হত্যা মামলায় তিন আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিন হলেন- পায়েলকে যে বাস থেকে ফেলে দেওয়া হয় হানিফ পরিবহনের সেই বাসের সুপারভাইজার জনি, চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেন।

গত ৪ অক্টোবর এই মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় এ মামলার জামিনে থাকা তিন আসামি আদালতে উপস্থিত হন। পরে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

এরপর বিচারক রায়ের জন্য ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

২০১৮ সালের ২১ জুলাই দিনগত রাতে দুই বন্ধু আকিবুর রহমান আদর ও মহিউদ্দিন শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে রওয়ানা হওয়ার পর নিখোঁজ হন পায়েল।

 

 

দুইদিন পর ২৩ জুলাই মুন্সীগঞ্জের ভাটেরচর সেতুর নিচের খাল থেকে পায়েলের মরদেহ উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই পায়েলের মামা গোলাম সরোয়ার্দী বিপ্লব বাদী হয়ে হানিফ পরিবহনের বাসের সুপারভাইজার জনি, চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

 

এরপরপর হানিফ পরিবহনের ওই বাসের সুপারভাইজার জনিকে ঢাকার মতিঝিল এবং চালক জামাল হোসেন ও তার সহকারী ফয়সাল হোসেনকে আরামবাগ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে জামাল হোসেন ও ফয়সাল হোসেন দুই ভাই।

 

গজারিয়া থানা পুলিশ ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার বিচার কাজ শুরু হলেও পরিবারের আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়। এরপর থেকে মামলাটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালেই বিচারাধীন ছিল।

 

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচার কাজ শুরু হয়। এ মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। এছাড়া আসামিপক্ষে চারজন সাফাই সাক্ষী দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!