সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৪ অপরাহ্ন
নিউজ ফ্লাশ
পঞ্চগড়ে মন্দিরে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে শিশুসহ ২৪ জনের মৃত্যু হিজাব ইস্যুতে উত্তাল ইরান: নারীসহ ৭০০ বিক্ষোভকারী গ্রেফতার, নিহত ৩৫ শারদীয় দুর্গাপূজা: হিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, বেরোবি শিক্ষার্থী আটক আগামী পহেলা ডিসেম্বর বিভাগীয় লেখক পরিষদ রংপুরের এক যুগ পূতি নগরজুড়ে চ্যাম্পিয়নদের ছাদ খোলা বাসে বিজয় শোভাযাত্রা খোলা বাসে বিলবোর্ড মাথায় লেগে আহত ফুটবলার ঋতুপর্ণার মাথায় দুই সেলাই এই ট্রফি আমাদের দেশের জনগণের জন্য রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা: ৪ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল দিনাজপুর বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার চার বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত

বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়া আর শীতে রংপুরের জনজীবনে ছন্দপতন

রাজিমুজ্জামান হৃদয়
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

 

চলছে মাঘ মাস। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী শীতের এই সময়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে খুবই ক্ষীণ। কিন্তু শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) সকালে রংপুরে ১৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। এছাড়া তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান এপ্লাস নিউজকে বলেন, রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।শনিবারেও বৃষ্টি হতে পারে। তারপর অঞ্চলে বৃষ্টির প্রভাব কমে আসবে। বৃষ্টির ফলে দিনের তাপমাত্রা আরো একটু কমে আসবে।

ভোররাত থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। মাঘের এই বৃষ্টির ফলে দিনমজুররা কাজে বের হতে পারছেন না। রাস্তঘাটে যানবাহন কমেছে।
বৃষ্টির সাথে বইছে হিমেল বাতাস। জবুথুবু হয়ে পড়েছে মানুষ ও প্রাণিকূল।

বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। বৃষ্টি ও শীতের হাত থেকে একটু উষ্ণতা পাওয়ার জন্য রাস্তার পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে মানুষ শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি যেন তার প্রতাপে পূর্ণতা এনে দিয়েছে। হিমালয় ছুঁয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাস কাঁপিয়ে তুলছে এই জনপদের ছিন্নমূল মানুষগুলোকে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে পথে-ঘাটে থাকা এই মানুষগুলো দুর্বিষহ দিন পার করছেন। অনেককেই দেখা গেছে কিছুটা উঞ্চতার খোঁজে টং দোকানে চায়ের কাপে চুমুক দিতে।

মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির পাশাপাশি সঙ্গে শীতল বাতাসে জনজীবনে স্থবিরতা দেখা দেয়। কাজে যোগ দিতে পারেনি খেটে খাওয়া মানুষ। অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। বৃষ্টির সাথে বইছে মৃদ শৈত্যপ্রবাহ। দিনভর সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।

নগরীরর শাপলায় সামনে সাইকেল, মাথায় গামছা, কোদাল আর ডালি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিছু শ্রমজীবী মানুষ। তারা জানান, প্রতিদিন এখানে এসে দাঁড়ান তারা। শহরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য তাদের নিয়ে যান। প্রতিদিন সকাল ৮টার মধ্যেই তারা কাজে লেগে পড়েন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে এ দিন সকাল দুপুর পরে সারাদিন গড়িয়ে গেলেও কেউ তাদের নিতে আসেনি।

জাহাজ কোম্পানি এলাকার রিকশাচালক জিলহক আলী জানান, খুব সকালে তিনি যখন রিকশা নিয়ে বের হন। তখন কুয়াশার মধ্যে পানি পড়ছিল। খানিক বাদেই যখন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে। পেটের দায়ে তাকে বৃষ্টিতে ভিজেই রিকশা চালাতে হয়।

নগরীর মেডিকেল মোড় এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে বসে আছেন কয়েকজন চালক। এরমধ্যে রায়সুল রহমান নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, এমনিতে রংপুরে অটোর সংখ্যা বেশি। এরমধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!