বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
নিউজ ফ্লাশ
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পঞ্চগড়ের নৌকাডুবির খবর পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি ট্রাজেডি: অর্ধশত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন : বেরোবি উপাচার্য স্বজনদের আহাজারিতে ভারি করতোয়ার পাড় পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: দিনাজপুরের পুনর্ভব নদীতে ভেসে এলো ৮ জনের লাশ করতোয়ার পাড়ে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, মৃত্যু বেড়ে ৩৯ পঞ্চগড়ে মন্দিরে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে শিশুসহ ২৪ জনের মৃত্যু হিজাব ইস্যুতে উত্তাল ইরান: নারীসহ ৭০০ বিক্ষোভকারী গ্রেফতার, নিহত ৩৫ শারদীয় দুর্গাপূজা: হিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পারাপার বেড়েছে ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, বেরোবি শিক্ষার্থী আটক

ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত,বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা

এপ্লাস অনলাইন
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২

কুড়িগ্রামের উলিপুরের ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।   গত কয়েকদিন ধরে অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। এতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

হাতিয়ার বাবুর চরের বাসিন্দা মর্জিনা, আলেকনুর, শাহানাজ, কলিমা বেগম জানান, গাঙের (নদ) পানিত ঘর-বাড়ি তলে গেছে। আন্দাবাড়ি (রান্না) করার উপায় নাই। তাই হামরা গুচ্ছ গ্রামত আসছি। কিন্ত এটেও পানি আসপের নাগছে।

 

ব্রহ্মপুত্র নদের উঁচু জায়গায় কোন রকমে ঝুঁপড়ি তুলে আছেন হাতিয়া গ্রামের উম্মে হাবিবা (৪৮)। তিনি জানান, বাড়িত হাটু পানি, গরু ছাগল বানদন (বাঁধ রাস্তা) নিয়ে গেছি। হামরা এটে থাকি।

 

হাতিয়া নয়াদাড়া গ্রামের এরশাদুল হক জানান, গত বছর নদী ভাঙনের শিকার হয়ে, অন্যের জায়গা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছি। কয়েক দিন থেকে বাড়িতে পানি। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে চরম বিপাকে আছি। চুলা না থাকায় রান্নাও করতে পারছি না। খাওয়া দাওয়ার খুব সমস্যা হয়েছে।

 

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শায়খুল ইসলাম নয়া বলেন, বন্যার পানিতে এ ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাটে পানি উঠায় মানুষজনের চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। বন্যা কবলিতদের সার্বিক খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় আসার জন্য বলা হচ্ছে।

 

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, রবিবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ সে.মি, চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সে.মি. ও ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম সদর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সে.মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজুদ্দৌল্লা বলেন, এ পর্যন্ত ৫০ মেট্রিক টন চাল ও দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়াও শিশু খাবার ৫০ হাজার, গো-খাদ্যের জন্য দেড় লাখ টাকা পাওয়া গেছে। দ্রুত বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!