বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ে ১০ দফা নির্দেশনা,রংপুরের মসজিদেগুলোতে মানা হচ্ছে না নির্দেশনা 

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেট সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১

দেশে দিনে দিনে বেড়ে চলছে করোণা সংক্রমণ। প্রতিদিনেই করোনার আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এমন অবস্থায় ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল সারাদেশে লকডাউন দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক মসজিদসমূহে সর্বসাধারণের জামায়াতে নামাজ আদায় করার জন্য সোমবার (৫ এপ্রিল) ধর্ম মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে মসজিদসমূহে জামায়াত নামাযের জন্য আবশ্যিকভাবে নিম্নবর্ণিত শর্তসমূহ পালনের জন্য অনুরোধ করা হলো:মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে এবং আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে, সুন্নাত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে, মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।

কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে। শিশু, বয়বৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামায়াতে অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে।সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত কল্পে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামগণ দোয়া করবেন এবং খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

 

তবে সোমবার লকডাউনের প্রথম দিনে রংপুর নগরীর কেরামতিয়া মসজিদ সহ বিভিন্ন মসজিদ ঘুরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনা চোখে পরেনি। বিকেলে আসরের নামাজে কেরামতিয়া জামে মসজিদে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় শারিরিক দুরত্ব বজায় না রেখে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করে। সমবেতভাবে সবাই একসাথে নামাজ শেষে দোয়া ও মেনাজাত করে। তবে ইমাম, মোয়াজ্বিন, খতিব কিংবা মসজিদ কর্তৃপক্ষ থেকে মুসুল্লিদেরকে এসব ব্যাপারে কোন নির্দেশনা দেওয়ায় হয়নি। দ্বায়সারা ভাবে মসজিদের গেটে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যানার রয়েছে। মাস্কবিহীন এক মুসল্লি বলেন, আল্লাহ তায়ালার রহমতে আমার করোনা হবে না। এমন অবস্থায় অনেক সচেতন মুসুল্লি করোনার স্বাস্থ্য ঝুকি বাড়তে পারে বলে মনে করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!