শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন

রংপুরে জাতীয় পিঠা উৎসবে ২০ লাখ টাকার পিঠা বিক্রি!

এপ্লাস অনলাইন
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২
বর্তমান প্রজন্মের কাছে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী পিঠা পার্বণকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষেই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রংপুরে ৫ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব। আর এই উৎসবে অংশ নেয় ৩০ টি স্টল। প্রত্যেকটি স্টলে বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক প্রকারের ছিলো পিঠার সমাহার।
৫ দিনব্যাপী এই উৎসবে ২০ লাখ টাকার পিঠা বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকবৃন্দ।
আহবায়ক নাট্যাভিনেতা বিপ্লব প্রসাদ বলেন, আয়োজনের লক্ষ পূরণ হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার পিঠাবিলাসীরা উৎসবে এসেছেন। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই উৎসাহ নিয়ে এসেছেন, পিঠা খেয়েছেন। উপভোগ করেছেন। আমরা মনে করি নিয়মিত পিঠা উৎসব আয়োজনে ফাস্টফুডের চাহিদা কমবে। বাড়বে পিঠা পার্বনের চাহিদা। ৫ দিনব্যাপী এই পিঠা উৎসব রংপুর অঞ্চলের মধ্যে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। মাত্র ৩০টি স্টলে প্রায় ২০ লাখ টাকার পিঠা বিক্রি হয়েছে। যেটা প্রত্যাশার থেকেও অনেক বেশি।
পিঠা উৎসবে প্রতিদিন শহিদ মিনারের পাদদেশে আয়োজন করা হয়েছিলো ভাওয়াইয়া গান, গানের সাথে নৃত্য, অভিনয়, পিঠা পার্বণের আলোচনা। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি উৎসবকে আরো জমিয়ে তুলেছে প্রতিদিন।
রোববার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো এ উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান।
সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গনের শহিদ মিনারে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ এর সিটি এসবি প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন উদযাপন পরিষদের সদস্য মাহবুব রহমান। আলোচক ছিলেন উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিপ্লব প্রসাদ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পিঠা উৎসব ২০২২ এ অংশগ্রহণকারী ৫ জন ও ১ জন সেরা পিঠাশিল্পীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। মেলায় সেরা পিঠা শিল্পী হয়েছে বৃষ্টি সুটকেস, ড্রিমার শপ, নেপালি মম, আনকোরা শৈলী, ইচ্ছে পূরণ। তবে মেলায় বিশেষ স্বাদ ও বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠা তৈরি করে বিশেষ সম্মাননা পেয়েছে রিক্তা প্রসাদ।  ৩০ টি স্টল নিয়ে ৫ দিনব্যাপী এ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
পাটিসাপটা, কুশলি, ভাপা, ভাত পিঠা, কাটা পিঠা, নকশি, পুলি, দুধ পিঠা, লাউ পায়েস, পক্কন,  ছিট পিঠা, লবঙ্গ পিঠা, গোকুল, চিতোই, পাকানো, পাকোয়ান, রসপুলি পিঠাসহ প্রায় শতাধিক রকমের পিঠা ছিল প্রতিটি স্টলে।
একতারার সুর, নুপুরের ঝংকার আর ভাওয়াইয়া গানের মধ্যদিয়ে শেষ হয় পিঠা উৎসব এর সমাপনী আয়োজন।
লোকজ এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে বাঙালির পিঠা পার্বনের আনন্দধারায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় পিঠা উৎসবের আয়োজন করে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ রংপুর বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!