মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
নিউজ ফ্লাশ
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা ২৩শ ছাড়িয়েছে রংপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত জাপা চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই মিত্থুকের দল হলো বিএনপি, মিথ্যাচারই তাদের সম্পদ: মির্জা আজম ‘সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত গন আন্দোলন চলবে’ সীমান্তে তারকাঁটারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফের,বিজিবির বাধায় দুই বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা ‘২৭ বছরের ডিউটিকালে রংপুরে আমি তিনবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গাড়িতে বহন করেছিলাম’ ফেসবুক পোস্টে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় কলেজ ক্যাম্পাসে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত শপথ নিলেন নব নির্বাচিত রংপুর সিটি মেয়র মোস্তফা ও কাউন্সিলররা পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩২

রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধুর দায়সারা ম্যুরাল নির্মাণ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রায় দশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জাতির পিতা বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দায়সারা ও নি¤œমানের ম্যুরাল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। মুজিববর্ষে এমন ম্যুরাল নির্মাণ করা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাইরে চলছে সমালোচনার ঝড়। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলছে ম্যুরালের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আবারো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কাছে চাহিদা পত্র পাঠিয়েছে তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুজিবর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ বাবদ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে দশ লক্ষ টাকা বাজেট পায় বিশ^বিদ্যালয়। সেই বাজেটের প্রায় দশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস স্ট্যান্ডে (অস্থায়ী) বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ করে প্রশাসন। কাস্ট আয়রনের উপর ব্রোঞ্চের প্রলেপ দেয়া পাঁচ ফিট বাই পাঁচ ফিট বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বাবদ ব্যয় হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা আর সিভিল (কনক্রিটের কাজ) বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।

 

শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলেন- মুজিববর্ষকে সরকার যখন অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। ঠিক এমন একটা সময়ে জাতির পিতার এমন নিম্নমানের ম্যুরাল নির্মাণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কোনভাবেই কাম্য নয়। একটা ম্যুরাল অনেক কিছুর অর্থ বহন করে। কিন্তু ক্যাম্পাসে যে ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে তা কোনভাবেই মেনে নেয়ার মত নয়। এর থেকে ভালো এবং উন্নতমানের ম্যুরাল নির্মাণ করতে পারত প্রশাসন। ম্যুরাল নির্মাণের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও গণিত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন- মুজিববর্ষের মত জাতির এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এরকম একটি দায়সারা কাজ কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমি এরকম কাজের ধিক্কার জানাই। আর এমন দায়সারা কাজ হবেই না বা কেন, ওনি (উপাচার্য) তো বিশ্ববিদ্যালয়েই থাকে না।
জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারি প্রশাসক তাবিউর রহমান বলেন- ম্যুরাল নির্মাণের কাজ এখনো শেষ হয়নি। ম্যুরালের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আমরা আবারো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কাছে চাহিদা পত্র পাঠিয়েছি।

 

সার্বিক বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর দপ্তরে গেলে, দপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন তিনি ঢাকায় আছেন। পরে তাকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও, তিনি রিসিভ করেনি।

সূত্র: বার্তা 24

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!