শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

সহিংসতার দায়িত্ব নিতে পারি না: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

এপ্লাস অনলাইন
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২
নির্বাচনি সহিংসতায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) নয়, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে হোটেল সোনারগাঁওয়ে ভোটার তালিকায় পরিচয়হীনদের পিতা-মাতার নাম লিপিবদ্ধকরণে জটিলতা নিরসন শীর্ষক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এমন মন্তব্য করেন।
নির্বাচনে সহিংসতার দায় সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, মোটেই আমরা তার দায়িত্ব নিতে পারি না। এটা আপনারা বোঝেন, জানেন যে, নির্বাচনি সহিংসতা হয় নিজেদের কোন্দলের কারণে, প্রার্থী এবং প্রার্থীর সমর্থকদের কোন্দলের কারণে। আমাদের নির্বাচনি ব্যবস্থাপনার কারণে কখনো এই ঘটনাগুলো ঘটে না।
তারা তো বলে না যে, নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা ঠিকমতো হয়নি। সুতরাং সেখানে জোর করে ভোট দিতে যায়, ঘটনাগুলো ঘটে। কেন্দ্র দখল করতে যায়, ঘটনাগুলো ঘটে। এছাড়া কালকে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, নিহত হয়েছে, প্রত্যেকটা কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে দূরে, নির্বাচনি কেন্দ্রের বাইরে হয়েছে। সুতরাং নির্বাচন কমিশন এই ব্যাপারে মোটেই দায়ী না, একেবারেই দায়ী না।
তাহলে কি আপনি মনে করেন প্রার্থী দায়ী?- এমন প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলে, আমি মনে করি প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা দায়ী।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি হতাহতের জন্য আমরা মর্মাহত, এটি অপ্রত্যাশিত এবং এটা আমরা চাই না। আমরা বারবার অনুরোধ করি যে, নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে, প্রতিহিংসা হবে না। এ জন্য আমরা আপনাদের (গণমাধ্যম) যারা নির্বাচনের সংগে সম্পৃক্ত থাকেন, সেসব প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, প্রার্থীদের সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদেরকে বারবার অনুরোধ করি।
বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কমিশনাররা যান, আমি যাই, তাদের সংগে মিটিং করি। তাদেরকে বলি যেন নির্বাচন একটা প্রতিযোগিতামূলক হয়। কিন্তু এটাকে কেন্দ্র করে রক্তপাত হওয়া কাম্য নয়, একটা জীবন চলে যায়। অস্বাভাবিক মৃত্যু তো নানান কারণে হয়। কিন্তু আমাদের নির্বাচনকালীন যেগুলো ঘটে সেগুলো আমাদেরকে আহত করে।
প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে নাকি অন্য কোনো কারণ আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে মোটেই হচ্ছে না। আপনাদের টেলিভিশনের মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি, দেখি যে প্রশাসনিক লোকজন প্রচুরভাবে আহত হয়।
দেখলাম পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টরকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। বিজিবি’র একজন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনি পরিস্থিতি রক্ষা করতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা এই জাতীয় ভিকটিম হয় এবং তারা প্রচুরভাবে চেষ্টা করে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। যখন মারামারি দাঙ্গা লাগে তখন তারা লাঠিসোঠা নিয়ে, ফাঁকা গুলি করে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। প্রচুর ধৈর্য সহকারে নিয়ন্ত্রণ করে। তা নাহলে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়ে দেয় এটা তো স্বাভাবিকভাবেই তারা যদি অত্যন্ত ধৈর্যশীল না হতো তাহলে তাদের মাধ্যমে একটা দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। সুতরাং তাদেরকে আমি মোটেই দায় দিই না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ

এ প্লাস ডিজিকম সার্ভিস

© All rights reserved © 2020 Aplusnews.Live
Design & Development BY Hostitbd.Com

অনুমতি ছাড়া নিউজ কপি দন্ডনীয় অপরাধ। কপি করা যাবে না!!